আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশের প্রতিটি গেমিং উৎসাহী মানুষ নিরাপদ, মজাদার ও ন্যায্য একটা প্ল্যাটফর্ম পাওয়ার যোগ্য। সেই বিশ্বাস থেকেই kx66-এর শুরু।
kx66 শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা একটা প্রতিশ্রুতি
ছয়টা কারণ যেগুলো kx66-কে বাকিদের থেকে আলাদা করে রাখে
২০২০ সালে কয়েকজন প্রযুক্তিপ্রেমী মানুষ মিলে kx66-এর যাত্রা শুরু করেন। তখন লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের গেমিং সম্প্রদায়ের জন্য এমন একটা জায়গা তৈরি করা যেখানে ভাষা, পেমেন্ট বা সাপোর্টের কোনো বাধা থাকবে না।
শুরুতে মাত্র ২০০ গেম নিয়ে শুরু হওয়া প্ল্যাটফর্মটা আজ ১,৫০০+ গেম ও ৫ লাখের বেশি সক্রিয় সদস্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রতিটা পদক্ষেপে ব্যবহারকারীদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি সিদ্ধান্তে আমরা এই মূল্যবোধগুলো অনুসরণ করি
kx66 পরিচালনা করেন অভিজ্ঞ পেশাদারদের একটা দল
অনলাইন গেমিং দুনিয়ায় বাংলাদেশের মানুষের জন্য সত্যিকারের একটা ভালো জায়গা তৈরি করতে গিয়ে kx66-এর জন্ম। সেটা ২০২০ সালের কথা। তখন বাজারে যা ছিল তার বেশিরভাগই বিদেশি ভাষায়, বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতিতে — সাধারণ বাংলাদেশি মানুষের জন্য একটু বেমানান।
kx66-এর প্রতিষ্ঠাতারা সেই ফাঁকটা দেখতে পেলেন এবং ঠিক করলেন যে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে অভ্যস্ত — বিকাশে পেমেন্ট, বাংলায় কথা বলা, নিজের পরিচিত পরিবেশে খেলা — সেটাই দেওয়া হবে। শুধু গেম নয়, পুরো অভিজ্ঞতাটাই বাংলাদেশি মানুষের জন্য কাস্টমাইজ করা হলো।
kx66 পরিচালনা করে একটা বহুজাতিক দল যেখানে বাংলাদেশি প্রযুক্তিবিদ, গেমিং বিশেষজ্ঞ ও ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা ডিজাইনার একসাথে কাজ করেন। কোম্পানিটি আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত হয় এবং স্বাধীন অডিট সংস্থার নিয়মিত তদারকির মধ্যে থাকে।
আমাদের দলে আছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ যারা ২৪ ঘণ্টা সিস্টেম পর্যবেক্ষণ করেন। আছেন কাস্টমার সাপোর্ট বিশেষজ্ঞ যারা সরাসরি বাংলায় কথা বলেন। আর আছেন গেম বিশেষজ্ঞরা যারা প্রতিটা নতুন গেম যোগ করার আগে সেটা পরীক্ষা করে দেখেন।
kx66 বাংলাদেশের বাজারকে আলাদাভাবে দেখে। বিপিএল ক্রিকেটে বেটিং বাজার, কাবাডির মতো দেশীয় খেলার বাজার, ঈদ ও পূজার সময় বিশেষ অফার — এগুলো অন্য কোনো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে পাওয়া কঠিন। কিন্তু kx66 জানে যে বাংলাদেশি গেমারদের কাছে এগুলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
kx66 Originals সিরিজে বাংলাদেশের ভূগোল ও সংস্কৃতি থেকে অনুপ্রাণিত গেম তৈরি করা হয়েছে। মেঘনা মেগাওয়েজ, সুন্দরবন স্পিনস, রাজশাহী সিল্ক রোড — এই গেমগুলো খেলতে বসলে নিজেদের দেশের একটা পরিচিত অনুভূতি পাওয়া যায়। এটাই kx66-এর সবচেয়ে বড় পার্থক্য।
kx66 বিশ্বাস করে যে গেমিং একটা বিনোদন — এটা কখনো বোঝা হওয়া উচিত নয়। তাই আমরা প্রতিটা ব্যবহারকারীকে তাদের নিজের সীমা নির্ধারণের সুবিধা দিই। দৈনিক ও মাসিক ডিপোজিট সীমা, স্ব-বর্জন অপশন, গেম টাইম ট্র্যাকার — সব টুল বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
নাবালকদের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ রোধ করতে কঠোর বয়স যাচাই পদ্ধতি আছে। কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে কোনো আর্থিক লেনদেন করা যায় না। এই নিয়মগুলো আমরা কখনো শিথিল করি না।
kx66-এর পরিকল্পনা আছে আগামী দুই বছরে আরও বেশি বাংলাদেশি থিমের গেম তৈরি করার। পাশাপাশি iOS অ্যাপ লঞ্চ, আরও বেশি স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ এবং বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় সাপোর্টের পরিকল্পনাও চলছে।
আমরা চাই kx66 শুধু একটা গেমিং সাইট না হয়ে বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদনের একটা বিশ্বস্ত ঠিকানা হয়ে উঠুক। সেদিকেই আমাদের প্রতিটা পদক্ষেপ।
kx66 সম্পর্কে যেকোনো প্রশ্ন, পরামর্শ বা অভিযোগের জন্য আমাদের সাপোর্ট টিম সবসময় প্রস্তুত। লাইভ চ্যাটে সরাসরি বাংলায় কথা বলুন অথবা ইমেইলে যোগাযোগ করুন। আমরা প্রতিটা বার্তাকে গুরুত্ব দিই।
নিবন্ধন করুন এবং স্বাগত বোনাস দাবি করুন। বিকাশ বা নগদে মাত্র ৳১০০ দিয়ে শুরু করা যায়। কোনো জটিলতা নেই।